কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনার সময়ে চীন, রাশিয়া ও তুরস্ক সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারত বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে নিজের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার কারণেই দেশগুলো সংঘাত থেকে দূরে থেকেছে বলে দাবি করেন তিনি।
বুধবার ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ইরান-ইসরায়েল সংকট চলাকালে বিশ্বের প্রভাবশালী কয়েকজন নেতার সঙ্গে তিনি ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করেন এবং তাদের যুদ্ধের বাইরে থাকার আহ্বান জানান। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সেই উদ্যোগ ইতিবাচক ফল দিয়েছে।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ইসরায়েলের সঙ্গে মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও এরদোয়ান সরাসরি সংঘাতে জড়াননি। তিনি জানান, তুর্কি প্রেসিডেন্টকে যুদ্ধ থেকে দূরে থাকার অনুরোধ করেছিলেন এবং এরদোয়ান সেই আহ্বানে সাড়া দিয়েছেন।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ভূমিকাও প্রশংসা করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানির ওপর চীনের উল্লেখযোগ্য নির্ভরতা থাকলেও বেইজিং সংঘাতে জড়ায়নি। তার দাবি, তিনি শি জিনপিংকে যুদ্ধ এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছিলেন এবং চীনা নেতা সেই অবস্থান বজায় রেখেছেন।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সম্পর্কেও একই ধরনের মন্তব্য করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, রাশিয়াও সংঘাত থেকে নিজেদের দূরে রেখেছে। পাশাপাশি পুতিনের সামনে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু থাকায় তিনি এ যুদ্ধে মনোযোগ দেননি বলেও উল্লেখ করেন।
ট্রাম্পের মতে, চীন, রাশিয়া ও তুরস্কের নিরপেক্ষ অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের সংকটকে বৃহত্তর আন্তর্জাতিক সংঘাতে রূপ নেওয়া থেকে বিরত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
সূত্র: তাস