বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বিরোধী দলের অবস্থান পাওয়ার পেছনে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ করেছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান। একই সঙ্গে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নির্বাচনে পোস্টাল ভোটে কারচুপির অভিযোগও তুলেছেন তিনি।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন আমজনতার দলের এই নেতা।
পোস্টে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী কৌশল ও রাজনৈতিক অবস্থানের সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, শুধু আক্রমণাত্মক বক্তব্য দিয়ে ভোটারদের সমর্থন পাওয়া যায় না। এ ক্ষেত্রে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের ফলাফলকে উদাহরণ হিসেবে দেখার আহ্বান জানান তিনি।
জামায়াতের বিরোধী দল হওয়ার প্রসঙ্গে তারেক রহমান দাবি করেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সহযোগিতার কারণেই দলটি ওই অবস্থানে পৌঁছেছে। পাশাপাশি পোস্টাল ভোটে অনিয়মের মাধ্যমে জামায়াত আমির ও এনসিপি আহ্বায়ক নির্বাচিত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে পোস্টে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি।
নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থীদের অর্থের বিনিময়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামানো এবং অন্য এলাকা থেকে ভোটার স্থানান্তরের অভিযোগও তোলেন তারেক রহমান। তাঁর দাবি, এসব কৌশলের মাধ্যমে ভোটের হিসাব প্রভাবিত করে প্রকৃত জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ার পথ বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভোট ভাগাভাগি ও ভোটারদের অধিকার ক্ষুণ্ন করার মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এসব কৌশল না থাকলে জামায়াতে ইসলামী কতটি আসন পেত, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব।
তারেক রহমানের ফেসবুক পোস্টে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী ভূমিকা ও রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে এসব অভিযোগ উঠে আসে।
সদ্য সংবাদ/এসএস