বুধবার (১৩ মে) উত্তরার একটি অনুষ্ঠানে মাসব্যাপী ইসলামী প্রতিযোগিতা ‘আলোকিত মাহে রমাদান’-এর চূড়ান্ত বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, 'আমরা এমন এক সময়ে দেশের দায়িত্ব নিয়েছি, যখন বিগত সরকারের সময়ে সৃষ্ট অর্থনৈতিক সংকটের কারণে প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের চাপ উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি। প্রতিবছর প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করতে হয় এবং রপ্তানি ও রেমিট্যান্স আয় সত্ত্বেও অর্থনীতি আমদানি নির্ভর হওয়ায় বাজেট ঘাটতি তৈরি হচ্ছে।'
তিনি বলেন, 'দেশের রপ্তানি আয় প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার এবং রেমিট্যান্স আয় ২০ থেকে ২২ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে রয়েছে। অন্যদিকে আমদানি ব্যয় ৬০ থেকে ৭০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়, ফলে অর্থনীতিতে ভারসাম্যহীনতা তৈরি হচ্ছে।'
অতীত সরকারের নীতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, 'অতীতের লুটপাটের দায় এখন জনগণকেই বহন করতে হচ্ছে। বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে অন্তত দুই বছর সময় লাগবে।'
রাজনৈতিক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'সংসদে গঠনমূলক বিতর্ক চললেও তা রাজপথে নেওয়া উচিত নয়। এতে রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিতিশীলতা তৈরি হতে পারে।'
অনুষ্ঠানে উপস্থিত আলেম-ওলামাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, 'সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আগামী দুই বছর শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে না পারলে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ব্যাহত হতে পারে।'