রাজশাহীকে হারিয়ে চলমান বিপিএলে ভালো শুরু করলেও পরের ম্যাচগুলোতে ছন্দ হারিয়েছে ঢাকা ক্যাপিটালস। টানা তিন ম্যাচে হারের পর চতুর্থ ম্যাচেও জয়ের খুব কাছে গিয়েও খালি হাতে ফিরতে হয়েছে রাজধানীর দলটিকে। রংপুরের বিপক্ষে শেষ ওভারে ১০ রান তুলতে না পারায় আবারও পরাজয়ের স্বাদ পায় ঢাকা।
রোববার রংপুরের দেওয়া ১৫৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৫০ রানেই থামে ঢাকা ক্যাপিটালস। এতে ৫ রানের জয় পায় রংপুর।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দারুণ সূচনা করেন ঢাকার দুই ওপেনার রহমানুল্লাহ গুরবাজ ও আব্দুল্লাহ আল মামুন। তাদের ব্যাটে ভর করে পাওয়ার প্লেতে ৫৩ রান তোলে ঢাকা। তবে কেউই ইনিংস বড় করতে পারেননি। ২২ বলে ৩১ রান করে গুরবাজ আউট হওয়ার পরের ওভারেই ফিরে যান মামুন। সাইফ হাসানও ব্যর্থ হন, ২৪ বলে ১৫ রান করে ক্যাচ তুলে দেন।
অন্য প্রান্তে ইনিংস আগলে রেখে মোহাম্মদ মিঠুন ৩২ বলে ফিফটি তুলে নেন। ফলে শেষ ২৪ বলে ঢাকার প্রয়োজন দাঁড়ায় ৩৫ রান। ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় ১৮তম ওভারে, যেখানে মাত্র ২ রান দিয়ে শামীমের উইকেট তুলে নেন মোস্তাফিজুর রহমান। ১৯তম ওভারে সাব্বির রহমান ১০ রান তুললেও শেষ ওভারে প্রয়োজনীয় ১০ রান করতে ব্যর্থ হন তারা। অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান শেষ ওভারের দায়িত্ব দেন মোস্তাফিজকে, যিনি মাত্র ৫ রান খরচ করে রংপুরকে জয় এনে দেন। সাব্বির রহমান ৮ বলে ১২ এবং মিঠুন ৩৮ বলে ৫৬ রান করে অপরাজিত থাকলেও দলকে জেতাতে পারেননি।
রংপুরের হয়ে কাইল মায়ার্স, আলিস আল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান ও খুশদিল শাহ একটি করে উইকেট নেন।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি রংপুরের। কাইল মায়ার্স ১১ বলে ১১ রান করে এবং লিটন কুমার দাস ৬ বলে ৬ রান করে দ্রুত সাজঘরে ফেরেন। তাওহীদ হৃদয়ও শূন্য রানে আউট হলে ৩০ রানেই ৩ উইকেট হারায় দলটি।
এরপর ডেভিড মালান ও মাহমুদউল্লাহর জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় রংপুর। মালান ৩৩ বলে ৩৩ রান করে আউট হলেও মাহমুদউল্লাহ ৪০ বলে ফিফটি তুলে নেন। পরের বলেই তিনি আউট হন। শেষ দিকে খুশদিল শাহ ঝোড়ো ব্যাটিং করেন। নুরুল হাসানের ৭ বলে ৭ রান এবং খুশদিলের ২০ বলে ৩৪ রানের ক্যামিওতে ৫ উইকেটে ১৫৫ রানের লড়াকু সংগ্রহ দাঁড় করায় রংপুর।