রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততার কথা জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। পুলিশের দাবি, জনমনে আতঙ্ক তৈরি এবং অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতেই এসব ঘটনা ঘটানো হচ্ছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিএমপির ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোল্লা মো. শাহীন।
তিনি বলেন, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতাদের নির্দেশনা অনুযায়ী রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটানো হচ্ছে বলে প্রাথমিক তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে। এর উদ্দেশ্য জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করা।
ডিসি জানান, গত বৃহস্পতিবার যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় রায়হান নামে বংশাল ইউনিট আওয়ামী লীগের এক কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার কাছ থেকে এসব বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি পুলিশের।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, রায়হানের বাসায় অভিযান চালিয়ে চারটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় যাত্রাবাড়ী থানার প্রধান ফটকের সামনে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় একজন অটোরিকশাচালক আহত হওয়ার তথ্যও বিভিন্ন প্রতিবেদনে এসেছে।
ডিএমপির এই কর্মকর্তা আরও জানান, গত দুই দিনে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের পাশাপাশি বাসে আগুন দেওয়ার যেসব ঘটনা ঘটেছে, সেগুলোর সঙ্গেও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি তদন্তে এসেছে।
তবে এসব ঘটনায় কার কী ভূমিকা ছিল, তা তদন্তের মাধ্যমে আরও নিশ্চিত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সদ্য সংবাদ/এসকে