চট্টগ্রাম নগরের সদরঘাট থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন মামলার আসামি, সাজাপ্রাপ্ত ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় দুটি ছোরা ও একটি কিরিচ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ডাকাতির প্রস্তুতি, অপহরণ ও ধর্ষণসহ বিভিন্ন মামলার আসামি রয়েছেন।
শনিবার (৭ নভেম্বর) রাতে শুরু হয়ে রোববার (৮ নভেম্বর) সকাল পর্যন্ত থানার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—রাহাত হোসেন (২২), নুরুল হুদা তাসিফ (২৩), মো. সেলিম, কাজী মোহাম্মদ আলিমুজ্জামান, মো. কাউছার (২২), মো. আরমান (২১), নুর মোহাম্মদ সম্রাট (২০), মো. রিফাত (১৯), মো. মাহিম (২০), মো. সুমন ওরফে শাহজাহান (৩৬), মো. নুর নবী (২৬), মো. হেলাল (২৫), মো. হৃদয় হোসেন (১৯), মো. বাঁচা মিয়া (৩৫), মো. রফিক (৩৬), মো. রাকিব (২৫), মো. পারভেজ (২৫) ও মো. রাশেদ (১৯)। এ ছাড়া দ্রুত বিচার আইনের মামলায় মো. রমজানকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, শুভপুর মোড় এলাকায় হোটেল বিরতির সীমানাপ্রাচীরের পশ্চিম পাশে জঙ্গলের মধ্যে ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে রাহাত হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর কাছ থেকে একটি ফোল্ডিং টিপ ছোরা উদ্ধার করা হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়া অন্য ব্যক্তিদের ফেলে যাওয়া আরও একটি ছোরা ও একটি কিরিচ জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় দণ্ডবিধির ৩৯৯ ও ৪০২ ধারায় মামলা হয়েছে।
অন্যদিকে, বাঁশখালীর চাম্বল এলাকা থেকে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি নুরুল হুদা তাসিফকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতের পরোয়ানাভুক্ত সাজাপ্রাপ্ত আসামি মো. সেলিম এবং চেক প্রতারণার মামলার আসামি কাজী মোহাম্মদ আলিমুজ্জামানকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এ ছাড়া সদরঘাট থানার শুভপুর রেলবিট ও কদমতলী এলাকায় রাতে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরার অভিযোগে আরও ১৪ জনকে আটক করা হয়।
সদরঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ জানান, পুলিশের একাধিক দল পৃথক অভিযান চালিয়ে এসব ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
সদ্য সংবাদ/এসএস