গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস ইসরায়েলের সঙ্গে সব ধরনের কার্যক্রম স্থগিত করেছে এবং নতুন কোনো আবেদন গ্রহণ করছে না। এর মধ্যে রয়েছে একটি ইসরায়েলি কিডনি দান–সংক্রান্ত রেকর্ড স্বীকৃতির আবেদনও। বুধবার স্থানীয় গণমাধ্যম এই তথ্য জানিয়েছে।
চ্যানেল ১২–এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘গিফট অব লাইফ’ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, যা কিডনি দানকে উৎসাহিত করে, গিনেসের কাছে দুই হাজার ইসরায়েলি দাতার একটি মাইলফলক নথিভুক্ত করার আবেদন জানায়। এই দাতারা অঙ্গদানের মাধ্যমে মানুষের জীবন বাঁচিয়েছেন।
সংগঠনটি জানিয়েছে, তাদের আবেদনটি ‘রাজনৈতিক কারণে’ প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। তারা গিনেসে অন্তর্ভুক্তির জন্য ফি পরিশোধ করেছে এবং জেরুজালেমে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে, যেখানে একসঙ্গে দুই হাজার দাতার ছবি তোলা হয়।
এরপর তারা গিনেসের পক্ষ থেকে একটি ইমেইল পায়, যেখানে বলা হয়, ‘আমরা বর্তমানে ইসরায়েল থেকে আসা রেকর্ড আবেদনের প্রক্রিয়া করছি না।’ এরপর সংগঠনটি সিদ্ধান্তের কারণ এবং পুনর্বিবেচনার সম্ভাবনা জানতে চেয়েও কোনো জবাব পাননি।
সংগঠনটির প্রধান রাবাই র্যাচেল হাবার এই অস্বীকৃতিকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছেন। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস এ দাবির বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।
এই প্রতিবেদন এসেছে এমন সময়ে, যখন গাজায় দুই বছর ধরে চালানো গণহত্যামূলক যুদ্ধের কারণে ইসরায়েল ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক বিচ্ছিন্নতার মুখে পড়েছে। এর ফলে একাডেমিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও ক্রীড়াঙ্গনে বর্জন শুরু হয়েছে।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর হামলায় গাজায় ৭০ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে, যাদের অধিকাংশ নারী ও শিশু। আহত হয়েছে এক লাখ ৭১ হাজারেরও বেশি। ভয়াবহ এই অভিযানে উপত্যকাটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। ১০ অক্টোবর কার্যকর হওয়া একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তির মাধ্যমে এই অভিযান আপাতত বন্ধ রয়েছে।
সূত্র: আনাদেলু এজেন্সি
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস ইসরায়েলের সঙ্গে সব ধরনের কার্যক্রম স্থগিত করেছে এবং নতুন কোনো আবেদন গ্রহণ করছে না। এর মধ্যে রয়েছে একটি ইসরায়েলি কিডনি দান–সংক্রান্ত রেকর্ড স্বীকৃতির আবেদনও। বুধবার স্থানীয় গণমাধ্যম এই তথ্য জানিয়েছে।
চ্যানেল ১২–এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘গিফট অব লাইফ’ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, যা কিডনি দানকে উৎসাহিত করে, গিনেসের কাছে দুই হাজার ইসরায়েলি দাতার একটি মাইলফলক নথিভুক্ত করার আবেদন জানায়। এই দাতারা অঙ্গদানের মাধ্যমে মানুষের জীবন বাঁচিয়েছেন।
সংগঠনটি জানিয়েছে, তাদের আবেদনটি ‘রাজনৈতিক কারণে’ প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। তারা গিনেসে অন্তর্ভুক্তির জন্য ফি পরিশোধ করেছে এবং জেরুজালেমে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে, যেখানে একসঙ্গে দুই হাজার দাতার ছবি তোলা হয়।
এরপর তারা গিনেসের পক্ষ থেকে একটি ইমেইল পায়, যেখানে বলা হয়, ‘আমরা বর্তমানে ইসরায়েল থেকে আসা রেকর্ড আবেদনের প্রক্রিয়া করছি না।’ এরপর সংগঠনটি সিদ্ধান্তের কারণ এবং পুনর্বিবেচনার সম্ভাবনা জানতে চেয়েও কোনো জবাব পাননি।
সংগঠনটির প্রধান রাবাই র্যাচেল হাবার এই অস্বীকৃতিকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছেন। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস এ দাবির বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।
এই প্রতিবেদন এসেছে এমন সময়ে, যখন গাজায় দুই বছর ধরে চালানো গণহত্যামূলক যুদ্ধের কারণে ইসরায়েল ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক বিচ্ছিন্নতার মুখে পড়েছে। এর ফলে একাডেমিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও ক্রীড়াঙ্গনে বর্জন শুরু হয়েছে।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর হামলায় গাজায় ৭০ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে, যাদের অধিকাংশ নারী ও শিশু। আহত হয়েছে এক লাখ ৭১ হাজারেরও বেশি। ভয়াবহ এই অভিযানে উপত্যকাটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। ১০ অক্টোবর কার্যকর হওয়া একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তির মাধ্যমে এই অভিযান আপাতত বন্ধ রয়েছে।
সূত্র: আনাদেলু এজেন্সি