চলতি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঋণখেলাপি প্রার্থীদের অংশগ্রহণ নিয়ে বিতর্ক চলছে। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বাছাই ও উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশের মাধ্যমে কমপক্ষে ৪৫ প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিতে সক্ষম হয়েছেন। তবে ৬৮ জন প্রার্থী ঋণখেলাপির কারণে বাদ পড়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ তথ্য ব্যুরো অনুযায়ী ঋণখেলাপি হলেও মনোনয়নপত্র দাখিলের আগে ৩১ জন প্রার্থী উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশে বৈধ হয়েছেন, এর মধ্যে ১৫ জন বিএনপি দলীয়। কুমিল্লা-৪ আসনের বিএনপির মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা বাতিল হলেও, চট্টগ্রাম-৪ থেকে বিএনপির আসলাম চৌধুরীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
চলতি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঋণখেলাপি প্রার্থীদের অংশগ্রহণ নিয়ে বিতর্ক চলছে। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বাছাই ও উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশের মাধ্যমে কমপক্ষে ৪৫ প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিতে সক্ষম হয়েছেন। তবে ৬৮ জন প্রার্থী ঋণখেলাপির কারণে বাদ পড়েছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ তথ্য ব্যুরো অনুযায়ী ঋণখেলাপি হলেও মনোনয়নপত্র দাখিলের আগে ৩১ জন প্রার্থী উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশে বৈধ হয়েছেন, এর মধ্যে ১৫ জন বিএনপি দলীয়।
কুমিল্লা-৪ আসনের বিএনপির মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা বাতিল হলেও, চট্টগ্রাম-৪ থেকে বিএনপির আসলাম চৌধুরীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির সারোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
এদিকে, ঋণখেলাপি প্রার্থীদের বৈধতা নিয়ে ইসি ও আদালতের বিভিন্ন স্থানে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও অর্থ উপদেষ্টা বারবার জানিয়েছিলেন, ঋণখেলাপিদের নির্বাচনে অংশ নেওয়া উচিত নয়। তবে উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে বাধা দেওয়া সম্ভব হয়নি।
এছাড়া, জামায়াতে ইসলামীর ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরাও ঋণখেলাপি সত্ত্বেও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই পরিস্থিতি নির্বাচন ব্যবস্থায় আইনের প্রয়োগ ও স্বচ্ছতার প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।