মঙ্গলবার (১৯ মে) প্রচারিত ওই সাক্ষাৎকারে কার্লসন অভিযোগ করেন, হামাস, হিজবুল্লাহ এবং ইরানের সঙ্গে সংঘাতকে কেন্দ্র করে চলমান যুদ্ধে বিপুল সংখ্যক বেসামরিক হতাহতের ঘটনা ঘটছে, যা ইসরায়েলের নৈতিক অবস্থান হারানোর প্রমাণ দিচ্ছে।
কার্লসন বলেন, হামাসের হামলা অবশ্যই নিন্দনীয়, তবে তার মতে এর প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েলের অভিযানও সমানভাবে বেসামরিক প্রাণহানির কারণে প্রশ্নবিদ্ধ। তিনি ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের ঘটনার পর গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানকে “অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া” বলেও উল্লেখ করেন।
তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অতীত সামরিক নীতির সমালোচনা করে ৯/১১ পরবর্তী যুদ্ধগুলোতেও বেসামরিক হতাহতের বিষয়টি তুলে ধরেন এবং বলেন, কোনো পরিস্থিতিতেই নিরীহ মানুষের মৃত্যু গ্রহণযোগ্য নয়।
সাক্ষাৎকারে তিনি আরও মন্তব্য করেন, ফিলিস্তিনিদের ভোটাধিকার না থাকায় ইসরায়েলকে পূর্ণাঙ্গ গণতন্ত্র বলা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। পাশাপাশি গাজা পরিস্থিতি বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি “গণহত্যা” শব্দ ব্যবহারের প্রশ্নে বলেন, নাম যাই দেওয়া হোক না কেন, বেসামরিক মানুষের মৃত্যু তার কাছে অগ্রহণযোগ্য।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সম্পর্ক নিয়েও মন্তব্য করেন কার্লসন। তার দাবি, বিভিন্ন ক্ষেত্রে ট্রাম্প নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক চাপের প্রভাবের মধ্যে ছিলেন এবং এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে প্রভাব পড়েছে।
কার্লসনের এসব মন্তব্যকে ঘিরে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত ও যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল সম্পর্ক নিয়ে চলমান বিতর্কের প্রেক্ষাপটে।