মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম বলেন, 'হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা করা হয়েছে। একদিকে মঞ্চে উঠে গণতন্ত্র ও সুন্দর রাজনীতির কথা বলা হচ্ছে, অন্যদিকে বিরোধীদের সন্ত্রাসী কায়দায় দমন করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগের পুরোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে পুনর্বাসনের এ প্রচেষ্টা এনসিপি মেনে নেবে না।'
তিনি আরও বলেন, 'এর আগে ওসমান হাদিকে বাধা দেওয়া হয়েছে, এবার নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে টার্গেট করা হলো। গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে গণতন্ত্রের পথে অগ্রসর হওয়ার কথা ছিল, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, এনসিপির তরুণ প্রার্থীদের লক্ষ্য করে ধারাবাহিক হামলা চালানো হচ্ছে। তারা বাংলাদেশের তরুণদের জনপ্রিয়তায় ভয় পাচ্ছে।
হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, আঘাত এলে পাল্টা আঘাতও আসবে। প্রশাসন যদি নীরব ভূমিকা পালন করে, তাহলে এনসিপি তাদের করণীয় নিজেরাই করবে। তবে তারা মুখোমুখি সংঘাতের পরিবেশ চায় না বলেও জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে নাহিদ ইসলাম বলেন, এসব ঘটনা একটি বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ। তারেক রহমানের বাংলাদেশে ফেরার প্রসঙ্গ ওঠার পর থেকেই এ ধরনের পরিকল্পনার কথা শোনা যাচ্ছে। উদ্দেশ্য হলো—যারা জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে, তাদের হেনস্তা করা, নির্বাচনী মাঠ একপাক্ষিক করা, ভোটকেন্দ্র দখল ও ফলাফল প্রভাবিত করা। তবে এই পরিকল্পনার ‘রফাদফা’ ১২ তারিখেই হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এছাড়া অতীতের রাজনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অন্যদের অতীত নিয়ে কথা বলা হলেও নিজেদের শাসনামলের (২০০১–২০০৬) দুঃশাসনের দায় তারা স্বীকার করেন না। নতুন রাজনীতি করতে হলে সে সময়ের জন্য ক্ষমা চাওয়া উচিত ছিল।
মির্জা আব্বাসকে উদ্দেশ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, “৩০ টাকা নিয়ে রাজনীতিতে এসে এখন সাম্রাজ্য গড়েছেন। আগের আচরণ পরিত্যাগ না করলে তার পরিণতি ভালো হবে না।”