কিছু পোস্টে আরও দাবি করা হয়েছে, নাসার গোপন নথি ‘প্রজেক্ট অ্যাংকর’-এ এ তথ্য উল্লেখ রয়েছে। এমনকি দাবি করা হচ্ছে, মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ধনী ব্যক্তিরা মাটির নিচে বিশেষ বাংকার তৈরি করছেন।
তবে এই সব খবরকে সম্পূর্ণভাবে ভুয়া ও গুজব বলে ঘোষণা করেছে নাসা।
গুজবের সূত্রপাত একটি ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীর পোস্ট থেকে, যিনি দাবি করেন, দুটি ব্ল্যাকহোলের সংঘর্ষের কারণে সৃষ্ট মহাকর্ষীয় তরঙ্গ পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি ৭ সেকেন্ডের জন্য বন্ধ করে দিতে পারে। এরপর তথ্যটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে (পূর্বের টুইটারের নাম) ভাইরাল হয়ে যায়।
অন্যদিকে, যুক্তরাজ্যের হার্টফোর্ডশায়ার ইউনিভার্সিটির ব্ল্যাকহোল বিশেষজ্ঞ উইলিয়াম অলস্টন বলেন, 'এই ধরনের মহাকর্ষীয় তরঙ্গ এত দুর্বল যে তা আমাদের শরীরে অনুভূত হয় না। এটি মাধ্যাকর্ষণ শক্তি হঠাৎ বন্ধ করার জন্য একেবারেই যথেষ্ট নয়।'
এছাড়া চলতি বছরের ১২ আগস্টে একটি পূর্ণ সূর্যগ্রহণ হওয়ার কথা থাকলেও, বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত করেছেন, সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী একই সরলরেখায় থাকলেও এটি পৃথিবীর মোট মাধ্যাকর্ষণের ওপর কোনো অস্বাভাবিক প্রভাব ফেলে না। শুধু সামান্য জোয়ার-ভাটার পরিবর্তন লক্ষ্য করা যেতে পারে।