জানা গেছে, চুরি হওয়া মোটরসাইকেলটি ভাটারা থানায় কর্মরত এএসআই মো. ফিরোজের। থানার উত্তর গেটের ভেতরে পানির ট্যাংকের পাশে তালাবদ্ধ অবস্থায় মোটরসাইকেলটি রাখা ছিল। ভোরে এক ব্যক্তি থানার ভেতরে ঢুকে তালা ভাঙেন, অপরজন বাইরে অবস্থান নিয়ে পাহারা দেন। পরে মোটরসাইকেলটি ঠেলে নিয়ে যান তারা।
ঘটনার পরদিন শনিবার মধ্যরাত পর্যন্ত চোরদের শনাক্ত কিংবা গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজে দুই অজ্ঞাত ব্যক্তিকে মোটরসাইকেলটি চুরি করে নিয়ে যেতে দেখা গেছে। মোটরসাইকেলে একটি জিপিএস ট্র্যাকার লাগানো থাকলেও চোরেরা সেটি খুলে ফেলায় এখনো অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে ভাটারা থানার ওসি মো. ইমাউল হক বলেন, 'থানার পার্কিং এলাকা থেকেই মোটরসাইকেলটি চুরি হয়েছে। জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে। আশা করছি দ্রুত মোটরসাইকেলটি উদ্ধার এবং চোরদের গ্রেফতার করা সম্ভব হবে।'
মোটরসাইকেলের মালিক এএসআই মো. ফিরোজ জানান, দায়িত্ব পালনের সময় তিনি মোটরসাইকেলটি থানার ভেতরে রেখে বাইরে ছিলেন। সকালে থানায় ফিরে এসে চুরির বিষয়টি জানতে পারেন।
থানার মতো নিরাপত্তা বেষ্টনীর ভেতর থেকে পুলিশের মোটরসাইকেল চুরির ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।