মায়ামিতে প্রথমার্ধজুড়ে ছিল ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের দাপট। স্কটল্যান্ডের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে দুই গোল করেছেন ব্রাজিলের এই ফরোয়ার্ড। মাঝখানে আরও একটি গোল করলেও তা ভিডিও সহকারী রেফারির সিদ্ধান্তে বাতিল হয়। তাঁর জোড়া গোলে ভর করে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে ব্রাজিল।
প্রথম গোলের মধ্য দিয়ে বিশেষ এক কীর্তিও গড়েছেন ভিনিসিয়ুস। ব্রাজিলের ইতিহাসে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচেই গোল করা মাত্র পঞ্চম ফুটবলার তিনি। এর আগে ১৯৭০ সালে জাইরজিনিও, ১৯৯৪ সালে রোমারিও এবং ২০০২ সালে রোনালদো ও রিভালদো এই কৃতিত্ব দেখিয়েছিলেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, আগের প্রতিটি আসরেই শিরোপা জিতেছিল ব্রাজিল।
ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। প্রথম মিনিটেই মাঝমাঠে সংঘর্ষে চিবুকে আঘাত পান ব্রাজিলের লুকাস পাকেতা। তবে দ্রুতই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় সেলেসাওরা।
সপ্তম মিনিটে নিজেদের দণ্ডক্ষেত্রের ভেতরে বল পাস দিতে গিয়ে ভুল করেন স্কটল্যান্ডের রক্ষণভাগের খেলোয়াড় স্কট ম্যাককেনা। সুযোগটি কাজে লাগিয়ে বল কেড়ে নেন তরুণ ফরোয়ার্ড রায়ান। পরে বাম পাশে ফাঁকায় থাকা ভিনিসিয়ুসের কাছে বল পৌঁছালে তিনি গোলরক্ষক অ্যাঙ্গাস গানকে পরাস্ত করে সহজেই জালে বল পাঠান।
২১তম মিনিটে আবারও স্কটল্যান্ডের রক্ষণভাগের ভুল থেকে গোল করেন ভিনিসিয়ুস। তবে দীর্ঘ পর্যালোচনার পর ভিডিও সহকারী রেফারির সহায়তায় রেফারি সিদ্ধান্ত দেন, বল দখলের সময় প্রতিপক্ষকে ফাউল করেছিলেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। ফলে গোলটি বাতিল করা হয়।
৩৭তম মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পান রায়ান। ব্রুনো গিমারেসের পাস থেকে নেওয়া তাঁর শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এরপর ৪৪তম মিনিটে ভিনিসিয়ুসের নিচু ক্রস থেকে গোলের খুব কাছাকাছি পৌঁছেছিলেন মাথিয়াস কুনিয়া। তবে রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষকের বাধায় সেই সুযোগও নষ্ট হয়।
তবে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে আর ভুল করেনি ব্রাজিল। প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে চাপ সৃষ্টি করে বল দখল করে নেয় দলটি। এরপর ডান প্রান্ত থেকে ব্রুনো গিমারেসের নিখুঁত ক্রসে দূরের পোস্টে থাকা ভিনিসিয়ুস দুর্দান্ত হেডে বল জালে পাঠান। তাতেই পূর্ণ হয় তাঁর জোড়া গোল এবং আরও স্বস্তিতে বিরতিতে যায় ব্রাজিল।