বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুরে এক জরুরি সিন্ডিকেট সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে একাধিক সিন্ডিকেট সদস্য জানিয়েছেন। তবে কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
ইতিপূর্বে, গত ৩০ অক্টোবর সিন্ডিকেটের ২৭১তম (সাধারণ) সভায় জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বিপ্লব সময়কালীন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের মধ্য হতে বিপ্লব বিরোধী ভূমিকায় জড়িতদের মধ্যে ১৯ শিক্ষক ও ১১ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত এবং ৩৩ জন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার ও সনদ বাতিলের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
পরবর্তীতে রিভিউ কমিটির প্রদানকৃত রিপোর্টের উপর মতামত প্রদানের জন্য গত ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত ২৭২তম সিন্ডিকেট সভায় একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির কাছে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সে অনুযায় একজন অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজের কাছ থেকে মতামত নেয়া হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট সূত্র।
তখন তিনি ‘তদন্ত কমিটি বা রিভিউ কমিটি Islamic University Employee's Efficiency and Discipline Rules, 1986 অনুসারে তাদের কাজ পরিচালনা করে নাই, কাজেই রিভিউ কমিটির শাস্তির প্রস্তাব ও সুপারিশ বিবেচনায় নেওয়া বা বাস্তবায়ন করা আইন সম্মত না’ বলে মতামত পেশ করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক বলেন, 'আজকের সিন্ডিকেট শেষ হয়েছে। জুলাই বিরোধীদের বিষয়ে এজেন্ডা ছিল। রেজুলেশন না হওয়া পর্যন্ত অফিসিয়ালি বলতে পারছি না। আগামী ২৪ তারিখ গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ চূড়ান্ত রেজুলেশন আকারে জানিয়ে দেওয়া হবে।'