মালদ্বীপে প্রবাসীদের ব্যাংক শাখা খোলার দাবি, সমাধান খুঁজছে হাইকমিশন

মালদ্বীপ প্রতিনিধি
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:০৮:০০
আবদুল্লাহ কাদের

ভারতীয় স্টেট ব্যাংক, শ্রীলঙ্কার ব্যাংক অব সিলন ও পাকিস্তানের হাবিব ব্যাংকের শীর্ষ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলামের পৃথক বৈঠক; বৈদেশিক মুদ্রা পরিস্থিতি, ব্যাংকিং ব্যবস্থা ও প্রবাসীদের অর্থ প্রেরণের সম্ভাব্য বিকল্প নিয়ে আলোচনা। মালদ্বীপে কর্মরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য দেশে অর্থ প্রেরণের ব্যবস্থা আরও সহজ, নিরাপদ ও বৈধ করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনের চলমান উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় মালদ্বীপে কার্যরত বিভিন্ন দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

এর অংশ হিসেবে মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম সম্প্রতি মালদ্বীপে দীর্ঘদিন ধরে কার্যরত ভারতীয় স্টেট ব্যাংক, শ্রীলঙ্কার ব্যাংক অব সিলন এবং পাকিস্তানের হাবিব ব্যাংকের শীর্ষ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে পৃথক-পৃথক বৈঠক করেন। বৈঠকগুলোতে মালদ্বীপের বর্তমান বৈদেশিক মুদ্রা ও মার্কিন ডলারের সংকট, ব্যাংকিং ব্যবস্থার তারল্য পরিস্থিতি, প্রবাসীদের অর্থ প্রেরণ, মুদ্রা রূপান্তর, অন্যান্য দেশের প্রবাসীদের অভিজ্ঞতা এবং বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য সম্ভাব্য সমাধান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

উল্লেখ্য মালদ্বীপের বর্তমান বৈদেশিক মুদ্রা পরিস্থিতির কারণে দেশটিতে কার্যরত ব্যাংকগুলোর জন্য স্থানীয় মুদ্রা থেকে বৈদেশিক মুদ্রায় রূপান্তর এবং বহির্মুখী অর্থপ্রবাহ ব্যবস্থাপনা একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ বাস্তবতায় বাংলাদেশি প্রবাসীদের রেমিট্যান্সের সমস্যা কেবল একটি নির্দিষ্ট দেশের প্রবাসীদের সমস্যা নয়; বরং এটি মালদ্বীপের সামগ্রিক বৈদেশিক মুদ্রা পরিস্থিতি ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। অন্যান্য দেশের প্রবাসীদের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা , ভারতীয় স্টেট ব্যাংকের শীর্ষ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে বৈঠকে হাইকমিশনার মালদ্বীপে কর্মরত ভারতীয় প্রবাসীদের দেশে অর্থ প্রেরণ ও বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জানতে চান।

ব্যাংকটির শীর্ষ ব্যবস্থাপনা আলোচনায় জানায় যে, একসময় মালদ্বীপে কর্মরত ভারতীয় প্রবাসীদের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা বা দেশে অর্থ প্রেরণের ক্ষেত্রে প্রায় ৭০০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত সুবিধা দেওয়া সম্ভব হতো। পরবর্তীতে তা প্রায় ৬০০, ৪০০ এবং ২৫০ মার্কিন ডলারে কমে বর্তমানে প্রায় ১৫০ মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে বলে তারা হাইকমিশনারকে অবহিত করে। ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনার সঙ্গে আলোচনায় এই পরিবর্তনকে মালদ্বীপের পরিবর্তিত বৈদেশিক মুদ্রা পরিস্থিতি এবং মার্কিন ডলারের প্রাপ্যতার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে উল্লেখ করা হয়।

ভারতীয় স্টেট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা আরও জানায় যে, মালদ্বীপে তুলনামূলকভাবে বৃহৎ ভারতীয় প্রবাসী কমিউনিটি থাকা সত্ত্বেও বর্তমান বৈদেশিক মুদ্রা সংকটের কারণে মালদ্বীপের রুফিয়া ভারতীয় রুপিতে রূপান্তর করে আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশে পাঠানোর চাহিদা পূরণেও চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

বৈঠকে হাইকমিশনার ভারত ও মালদ্বীপের মধ্যকার মুদ্রা বিনিময় ব্যবস্থা এবং মুদ্রা অদলবদল ব্যবস্থার অভিজ্ঞতা সম্পর্কেও জানতে চান। এ ধরনের আঞ্চলিক আর্থিক ব্যবস্থাপনা থেকে বাংলাদেশ ভবিষ্যতে কোনো কার্যকর শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে কি না এবং বাংলাদেশের জন্য অনুরূপ কোনো সম্ভাবনা রয়েছে কি না, সে বিষয়েও মতবিনিময় হয়।

শ্রীলঙ্কার অভিজ্ঞতাও তুলে ধরা হয়

শ্রীলঙ্কার ব্যাংক অব সিলনের শীর্ষ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে বৈঠকে শ্রীলঙ্কান প্রবাসীদের দেশে অর্থ প্রেরণের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।

ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা হাইকমিশনারকে জানায় যে, মালদ্বীপের বর্তমান বৈদেশিক মুদ্রা পরিস্থিতির কারণে মালদ্বীপের রুফিয়া থেকে শ্রীলঙ্কান রুপিতে রূপান্তরের মাধ্যমে শ্রীলঙ্কায় অর্থ প্রেরণের ক্ষেত্রে ব্যাংকটির কিছু নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এ কারণে রেমিট্যান্স-সংশ্লিষ্ট নতুন হিসাব খোলার ক্ষেত্রেও বর্তমানে কিছু সীমাবদ্ধতা বিদ্যমান বলে ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা অবহিত করে।

এ অভিজ্ঞতা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, বর্তমান বৈদেশিক মুদ্রা সংকটের প্রভাব শুধু বাংলাদেশি প্রবাসীদের ক্ষেত্রে নয়; মালদ্বীপে কর্মরত অন্যান্য দেশের প্রবাসীদের অর্থ প্রেরণ ব্যবস্থার ওপরও এর প্রভাব পড়ছে।

পাকিস্তানি প্রবাসীদের ক্ষেত্রেও সীমা কমেছে

পাকিস্তানের হাবিব ব্যাংকের শীর্ষ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে বৈঠকেও একই ধরনের বৈদেশিক মুদ্রা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।

ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা জানায় যে, একসময় মালদ্বীপে কর্মরত পাকিস্তানি প্রবাসীদের জন্য প্রায় ১,০০০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত অর্থ প্রেরণের সুবিধা দেওয়া সম্ভব ছিল। পরবর্তীতে তা প্রায় ৫০০ মার্কিন ডলারে এবং বর্তমানে প্রায় ৩০০ মার্কিন ডলারে নেমে এসেছে বলে তারা জানায়। আলোচনায় বিদ্যমান বৈদেশিক মুদ্রা ও মার্কিন ডলারের তারল্য পরিস্থিতিকে এর অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা আরও জানায়, মালদ্বীপে পাকিস্তানি প্রবাসী কমিউনিটির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম- আলোচনায় প্রায় ১,০০০ জনের কথা উল্লেখ করা হয়। ফলে মালদ্বীপের রুফিয়া থেকে পাকিস্তানি রুপিতে রূপান্তর করে আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে অর্থ প্রেরণের চাহিদা তুলনামূলকভাবে সীমিত হওয়ায় তা ব্যবস্থাপনা করা অপেক্ষাকৃত সহজ হচ্ছে।

বাংলাদেশি প্রবাসীদের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জটি কেন ভিন্ন

তিনটি ব্যাংকের শীর্ষ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে পৃথক বৈঠকের মাধ্যমে হাইকমিশনার মালদ্বীপে বিভিন্ন দেশের প্রবাসী কমিউনিটির অর্থ প্রেরণ ব্যবস্থার বাস্তব পার্থক্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা লাভ করেন।

ভারতীয় স্টেট ব্যাংক, ব্যাংক অব সিলন এবং হাবিব ব্যাংক দীর্ঘদিন ধরে মালদ্বীপে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। দেশটির ব্যাংকিং, ব্যবসা-বাণিজ্য ও আর্থিক ব্যবস্থার সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের সুপ্রতিষ্ঠিত সম্পর্ক রয়েছে। বৈঠকগুলোতে ব্যাংকগুলোর শীর্ষ ব্যবস্থাপনা তাদের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও বর্তমান বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরে।

আলোচনায় উঠে আসে যে, মালদ্বীপে কর্মরত ভারতীয়, শ্রীলঙ্কান ও পাকিস্তানি প্রবাসীদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ দক্ষ ও পেশাজীবী কর্মী হিসেবে নিয়োজিত। তাদের অনেকে মার্কিন ডলারে বেতন বা পারিশ্রমিক পান অথবা বৈদেশিক মুদ্রায় তুলনামূলকভাবে বেশি প্রবেশাধিকার রাখেন। ফলে তাদের স্থানীয় মুদ্রা থেকে বৈদেশিক মুদ্রায় রূপান্তরের প্রয়োজনীয়তা এবং ব্যাংকগুলোর ওপর বৈদেশিক মুদ্রা সরবরাহের চাপ তুলনামূলকভাবে ভিন্ন।

অন্যদিকে মালদ্বীপে কর্মরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের একটি বড় অংশ নিম্নদক্ষ ও অর্ধদক্ষ কর্মসংস্থানে নিয়োজিত এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে মালদ্বীপের রুফিয়ায় বেতন পান। মালদ্বীপে বাংলাদেশি প্রবাসীর সংখ্যা প্রায় এক লাখের কাছাকাছি হওয়ায় তাদের উপার্জিত রুফিয়াকে বৈদেশিক মুদ্রায় রূপান্তর করে বাংলাদেশে পাঠানোর প্রয়োজনীয়তা ও চাহিদা তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি।

বর্তমান বৈদেশিক মুদ্রা সংকটের প্রেক্ষাপটে এই কাঠামোগত পার্থক্য বাংলাদেশি প্রবাসীদের রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে একটি বিশেষ চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

৫০-১০০ মার্কিন ডলার সমপরিমাণ অর্থ প্রেরণের সুযোগ খোঁজার আহ্বান

এই বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম তিনটি ব্যাংকের শীর্ষ ব্যবস্থাপনাকে অনুরোধ করেন, বিদ্যমান আইন, বিধিবিধান ও ব্যাংকিং কাঠামোর আওতায় বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য অপেক্ষাকৃত ছোট পরিমাণের- যেমন ৫০ থেকে ১০০ মার্কিন ডলার সমপরিমাণ- অর্থ দেশে পাঠানোর কোনো বাস্তবসম্মত সুযোগ তৈরি করা যায় কি না, তা পরীক্ষা করে দেখতে।

হাইকমিশনার স্পষ্ট করেন যে, এর উদ্দেশ্য কোনো বিশেষ বা অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা দাবি করা নয়। বরং বিদ্যমান ব্যাংকিং অবকাঠামো, মুদ্রা রূপান্তর ব্যবস্থা, আন্তঃব্যাংকিং যোগাযোগ এবং অনুমোদিত আর্থিক ব্যবস্থার আওতায় বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য আনুষ্ঠানিক অর্থ প্রেরণ ব্যবস্থা তৈরি করা যায় কি না, সেটিই অনুসন্ধানের মূল উদ্দেশ্য।

তিনি উল্লেখ করেন, মালদ্বীপের রুফিয়ায় বেতন পাওয়া একজন বাংলাদেশি কর্মীর জন্য ৫০ বা ১০০ মার্কিন ডলার সমপরিমাণ অর্থও তার পরিবারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই অল্প পরিমাণ হলেও আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশে অর্থ পাঠানোর সুযোগ তৈরি করা প্রবাসীদের আর্থিক নিরাপত্তা, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং বাংলাদেশের বৈধ রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বৃহত্তর অর্থনৈতিক ও আঞ্চলিক সহযোগিতার সম্ভাবনা বৈঠকগুলোতে মালদ্বীপের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশ, মালদ্বীপ ও অন্যান্য আঞ্চলিক অংশীদারের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক সহযোগিতা সম্প্রসারণের সম্ভাবনাও আলোচনা করা হয়।

হাইকমিশনার ব্যাংকগুলোর শীর্ষ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আর্থিক সংযোগ, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থ প্রেরণ ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার ক্ষেত্রে আঞ্চলিক ও ত্রিপক্ষীয় সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করেন।মালদ্বীপে দীর্ঘদিন ধরে কার্যরত এসব প্রতিষ্ঠিত ব্যাংক ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে অর্থনৈতিক সংযোগ জোরদারে বাণিজ্যিক অর্থায়ন, রেমিট্যান্স, বিনিয়োগ, আন্তঃব্যাংকিং সম্পর্ক এবং ব্যবসায়িক লেনদেনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে বলেও আলোচনায় উঠে আসে।

হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম বলেনঃ মালদ্বীপে কর্মরত বাংলাদেশি প্রবাসীরা কঠোর পরিশ্রম করে তাদের উপার্জনের একটি অংশ দেশে পরিবারের কাছে পাঠান। তাদের বাস্তব সমস্যাগুলো বোঝা এবং অর্থ প্রেরণকে আরও সহজ, নিরাপদ ও বৈধ করার জন্য সম্ভাব্য প্রতিটি বাস্তবসম্মত ও টেকসই পথ অনুসন্ধান করা আমাদের দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, “মালদ্বীপের বর্তমান বৈদেশিক মুদ্রা সংকট একটি বৃহত্তর অর্থনৈতিক ও ব্যাংকিং খাতের চ্যালেঞ্জ, যা শুধু বাংলাদেশি প্রবাসীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এ কারণেই আমরা মালদ্বীপে দীর্ঘদিন ধরে কার্যরত বিভিন্ন দেশের প্রতিষ্ঠিত ব্যাংকগুলোর অভিজ্ঞতা জানতে চাইছি এবং অন্যান্য প্রবাসী কমিউনিটির ক্ষেত্রে কীভাবে এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা হচ্ছে, তা বোঝার চেষ্টা করছি। আমাদের লক্ষ্য হলো বিদ্যমান আইন, নীতিমালা ও ব্যাংকিং কাঠামোর মধ্যে বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য বাস্তবসম্মত সম্ভাবনাগুলো চিহ্নিত করা।”

হাইকমিশনার ভারতীয় স্টেট ব্যাংক, ব্যাংক অব সিলন এবং হাবিব ব্যাংকের শীর্ষ ব্যবস্থাপনাকে তাদের অভিজ্ঞতা, সহযোগিতা ও বাস্তবভিত্তিক মতামত তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য কার্যকর রেমিট্যান্স ব্যবস্থা অনুসন্ধানে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, মালদ্বীপের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে ধারাবাহিক যোগাযোগ ও সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশ হাইকমিশন মালদ্বীপে কর্মরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য আরও সহজ, নিরাপদ, স্বচ্ছ ও আইনসম্মত রেমিট্যান্স ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রাখবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে আর্থিক, বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা অনুসন্ধান এবং আঞ্চলিক ও ত্রিপক্ষীয় সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণেও হাইকমিশনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

সদ্য সংবাদ/এসকে

প্রবাস ব্রেকিং

মন্তব্য (0)

মন্তব্য করুন

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

বিজ্ঞাপনের জন্য খালি স্পেস

শিরোনাম:
সদ্য. অবশেষে জারি হলো নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন সদ্য. আজ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সদ্য. আজই হতে পারে পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন, নতুন কাঠামো নিয়ে যা জানা গেল সদ্য. অপ্রতিমের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন, রোববার কুবিতে প্রথম জানাজা সদ্য. ঢাকার তিন স্থানে যাত্রীবাহী বাসে আগুন সদ্য. অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে কুবিতে আগামীকাল সাধারণ শোক, ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত সদ্য. স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছয় মাসের ‘সাফল্য’ তুলে ধরে হাসনাতের ফেসবুক পোস্ট সদ্য. অপ্রতিম হত্যার রহস্য উদঘাটনে মাঠে পাঁচ বাহিনী সদ্য. লং মার্চ থেকে ফেরার পথে সিরাজগঞ্জে জামায়াতের সাবেক ইউনিয়ন আমিরকে কুপিয়ে জখম, অভিযোগে বিএনপি সদ্য. শিক্ষিকার ছেলের হত্যাকাণ্ডে কুবি ছাত্রদলের শোক, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি সদ্য. অবশেষে জারি হলো নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন সদ্য. আজ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সদ্য. আজই হতে পারে পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন, নতুন কাঠামো নিয়ে যা জানা গেল সদ্য. অপ্রতিমের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন, রোববার কুবিতে প্রথম জানাজা সদ্য. ঢাকার তিন স্থানে যাত্রীবাহী বাসে আগুন সদ্য. অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে কুবিতে আগামীকাল সাধারণ শোক, ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত সদ্য. স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছয় মাসের ‘সাফল্য’ তুলে ধরে হাসনাতের ফেসবুক পোস্ট সদ্য. অপ্রতিম হত্যার রহস্য উদঘাটনে মাঠে পাঁচ বাহিনী সদ্য. লং মার্চ থেকে ফেরার পথে সিরাজগঞ্জে জামায়াতের সাবেক ইউনিয়ন আমিরকে কুপিয়ে জখম, অভিযোগে বিএনপি সদ্য. শিক্ষিকার ছেলের হত্যাকাণ্ডে কুবি ছাত্রদলের শোক, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি