শিক্ষার্থীরা জানান, প্রশাসন নতুন আঙ্গিকে পুরোনো কোটা ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে, যা বৈষম্যমূলক ও শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশার পরিপন্থী। তাদের দাবি, সাম্প্রতিক আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে কোটা বাতিলের যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, তা উপেক্ষা করে পুনরায় একই ব্যবস্থা কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, প্রশাসন যদি বুধবার সকাল ১১টার মধ্যে সিদ্ধান্ত স্থগিত না করে, তবে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ন্যায্য দাবির প্রশ্নে শিক্ষার্থীরা কোনো প্রকার আপষ করবে না, প্রয়োজনে তারা আর কঠোর থেকে কঠোর কর্মসূচিতে যাবে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু)-এর একাধিক প্রতিনিধি দাবি করেন, বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কোনো ধরনের পরামর্শ করা হয়নি। তাদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ও হল সংসদ সক্রিয় থাকা সত্ত্বেও এমন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে অংশীজনদের মতামত নেওয়া প্রয়োজন ছিল। যা এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নেয় নি।
এদিকে জাকসুর শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আবু ওবায়দা ওসামা জানান, আগামী ১ থেকে ৯ মার্চ পর্যন্ত প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধার আওতায় ভর্তির আবেদন গ্রহণের প্রক্রিয়া নির্ধারিত রয়েছে। শিক্ষার্থীদের একটি অংশ এ বিষয়ে গণভোটের দাবিও তুলেছে, যাতে বৃহত্তর মতামতের প্রতিফলন নিশ্চিত করা যায়। কিন্তু সেটাও কার্যকর করা হয় নি।