রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর ঘটনায় আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় তাঁকে ও তাঁর প্রথম স্ত্রীকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তেজগাঁও বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. ইবনে মিজান। তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এর আগে রোববার সন্ধ্যা ৭টার দিকে শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের মরদেহ উদ্ধারের খবর পাওয়া যায়। পরে শেরেবাংলা নগর থানা-পুলিশের পাশাপাশি সিআইডি, পিবিআই ও ডিবির সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান।
পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জানতে পারে, যে কক্ষ থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, সেটি সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
গাজী নজরুল ইসলাম জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়নে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। গত জুলাইয়ে ঢাকার মগবাজারের একটি হোটেলে মরিয়মের সঙ্গে তাঁর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। তখন জামায়াতের নেতাকর্মীদের কেউ কেউ ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি বলে দাবি করেছিলেন।
পরে গাজী নজরুল ইসলাম নিজের ফেসবুক পোস্টে ভিডিওটির বিষয়ে বক্তব্য দেন এবং ওই তরুণীকে তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ২২ জুলাই জামায়াতে ইসলামী গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়। দলটির পক্ষ থেকে তাঁর বহিষ্কারের বিষয়টি স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনকেও জানানো হয়।
সদ্য সংবাদ/ এআর