নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রথমবার কোনো ব্যাংক কার্ডকে বিকাশ, নগদ বা রকেটের মতো এমএফএস অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত করতে হলে বাধ্যতামূলকভাবে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকার একটি ‘টোকেন লেনদেন’ সম্পন্ন করতে হবে। এই লেনদেন সফল হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কার্ডটি ২৪ ঘণ্টা পর সম্পূর্ণভাবে সক্রিয় হবে। এরপর থেকেই গ্রাহক স্বাভাবিকভাবে যেকোনো পরিমাণ অর্থ ‘অ্যাড মানি’ করতে পারবেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, একই ব্যক্তি হলে অর্থাৎ ব্যাংক কার্ড ও এমএফএস অ্যাকাউন্টের নাম মিল থাকলে আগামী ১ আগস্ট থেকে আর টোকেন লেনদেনের প্রয়োজন হবে না। তখন সরাসরি কার্ড যুক্ত করে লেনদেন করা যাবে, ফলে প্রক্রিয়াটি আরও সহজ হবে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, কার্ড থেকে এমএফএস অ্যাকাউন্টে টাকা স্থানান্তরের এই প্রক্রিয়াকে এখন থেকে আর ‘মার্চেন্ট পেমেন্ট’ হিসেবে দেখানো যাবে না। এটিকে অবশ্যই ‘ফান্ড ট্রান্সফার’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করতে হবে। পাশাপাশি লেনদেনের সময় কোন এমএফএস নম্বরে টাকা যাচ্ছে, সেই তথ্য কার্ড ইস্যুকারী ব্যাংকের কাছে দৃশ্যমান রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানিয়েছে, ব্যাংক ও এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থা আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে পুরোপুরি কার্যকর করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশনা বাস্তবায়ন না হলে ১ আগস্ট থেকে কার্ডের মাধ্যমে এমএফএস অ্যাকাউন্টে ‘অ্যাড মানি’ সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হতে পারে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন প্রতারণামূলক ঘটনায় দেশি-বিদেশি ব্যাংকের কার্ড থেকে এমএফএস অ্যাকাউন্টে অনিয়মিতভাবে অর্থ স্থানান্তরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব ঝুঁকি কমাতেই নতুন এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। এতে গ্রাহকের সম্মতি ও যাচাই নিশ্চিত করে লেনদেন আরও নিরাপদ করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।