বুধবার (০৪ মার্চ) বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনের সমাজকল্যাণ বিভাগে এ ঘটনা ঘটে। পরে খবর পেয়ে প্রক্টরিয়াল বডি ও ইবি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উভয়ের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে। পরে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেলে নেওয়ার পর আশঙ্কাজনক অবস্থায় উভয়কে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। পরে আসমা সাদিয়া রুনাকে মৃত ঘোষণা করে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা।
সমাজকল্যাণ বিভাগের এক শিক্ষার্থী জানান, ফজলুকে প্রায় ২ মাস আগে পলিটিক্যাল সায়েন্সে বদলি করা হয়। বিষয়টা তিনি এটা মেনে নিতে পারছিলেন না। এটা নিয়ে অনেক রেষারেষিও হচ্ছিল। তবে বিষয়টা এ রকম পর্যায়ে যাবে, ভাবতেও পারিনি।'
তিনি বলেন, 'আমরা অন্যদিকে ব্যস্ত ছিলাম। ডিপার্টমেন্টে হাবিব স্যার ছিলেন। উনি ৩০ মিনিট আগে ডরমেটরিতে চলে যান। ৫টায় আমাদের একটা প্রোগ্রাম শুরু হওয়ার কথা ছিল। এর মাঝে ডিপার্টমেন্টে কোনও কর্মচারী, কর্মকর্তা কেউ ছিলেন না। এই সুযোগে ফজলুর রহমান এই আত্মঘাতী ঘটনাটি ঘটালেন। ম্যামের রুম লক করা ছিল না। ওই কর্মচারী রুমে ঢুকে লক করে দেন।