ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে মুখে স্কচটেপ লাগানো অবস্থায় উদ্ধার হওয়া ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ। নিহত ইসমাইল হোসেন (৫০) জামালপুর সদর উপজেলার জালাল উদ্দিনের ছেলে। তিনি গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকায় বসবাস করতেন।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পুলিশ জানায়, মরদেহ উদ্ধারের পর আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করা হয়। পরে সেই ছাপ জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভাণ্ডারের সঙ্গে যাচাই করে ইসমাইল হোসেনের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। বিষয়টি তার পরিবারের সদস্যদেরও জানানো হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, ইসমাইল বেকার ছিলেন। তাকে শ্বাসরোধে হত্যার পর কোনো একটি গাড়ি থেকে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর ফেলে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
ওসি ফরিদুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থল ও আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে সন্দেহভাজন কয়েকটি গাড়ি শনাক্ত করা হয়েছে। এসব গাড়ি আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা গেলে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে আশা করছে পুলিশ।
এর আগে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল পৌনে ৯টার দিকে বনানী এলাকায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে ওই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে সময় তার পরিচয় জানা যায়নি। মরদেহটির মুখে স্কচটেপ লাগানো ছিল। তার পরনে ছিল নীল রঙের শার্ট ও লুঙ্গি, যা সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালকদের পোশাকের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কারা জড়িত এবং কী কারণে ইসমাইলকে হত্যা করা হয়েছে, তা জানতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।
সদ্য সংবাদ/এসকে