পার্বত্য চট্টগ্রামের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও ইতিহাসকে দেশ-বিদেশে আরও ব্যাপকভাবে তুলে ধরতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা চেয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ সহযোগিতা কামনা করেন।
দুপুরে বোমাং সার্কেলের রাজপুত্র সাচিং প্রু তাঁর একান্ত সচিব (উপসচিব) মোহাম্মদ রাশেদুল হককে সঙ্গে নিয়ে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দপ্তরে যান। এ সময় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী তাকে স্বাগত জানান।
সাক্ষাতে পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রকৃতি, পরিবেশ, ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য নিয়ে দুই মন্ত্রীর মধ্যে আলোচনা হয়। পার্বত্য অঞ্চলের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও বিস্তৃত করার বিভিন্ন দিক নিয়েও মতবিনিময় করেন তারা।
সাচিং প্রু বলেন, বান্দরবানে বাঙালি ও পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি বিভিন্ন জাতিসত্তার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। তাদের নিজস্ব ভাষা, পোশাক, আচার-অনুষ্ঠান, রীতিনীতি ও লোকজ সংস্কৃতির বৈচিত্র্যকে গুরুত্ব দিয়ে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, পার্বত্য এলাকায় শান্তি ও সম্প্রীতি জোরদারে সংস্কৃতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমে পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়ানোর পাশাপাশি আত্মিক দূরত্ব কমিয়ে আনা সম্ভব।
সাক্ষাতে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মও উপস্থিত ছিলেন। দুই মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগে সাংস্কৃতিক বিনিময় ও বিভিন্ন কর্মসূচি আরও জোরদারের বিষয়ে তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় সাচিং প্রু আগামী ২৫ অক্টোবর বান্দরবানে অনুষ্ঠিতব্য প্রবারণা পূর্ণিমা ও পিঠা উৎসবে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এবং প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মকে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানান।
সদ্য সংবাদ/এসএস