ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস) এবং মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)-এর তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পগুলোর উৎপত্তিস্থল ছিল সিকিমের নামচি ও মাঙ্গান অঞ্চলে।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সময় রাত ১টা ৩৯ মিনিটে প্রথম বড় ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৬। এরপর রাত ২টা ৫০ মিনিটে ৪ দশমিক ৪ মাত্রার আরেকটি এবং ভোর ৩টা ৩১ মিনিটে ৪ দশমিক ০ মাত্রার আরও একটি মাঝারি ভূমিকম্প হয়। এ ছাড়া ভোর ৬টা পর্যন্ত অন্তত ৫ থেকে ৬টি ছোট আকারের আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে।
ভূমিকম্পগুলোর গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ৫ থেকে ১০ কিলোমিটার, যা অত্যন্ত অগভীর হওয়ায় কম্পন তুলনামূলকভাবে বেশি অনুভূত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
নীলফামারীর এক বাসিন্দা বলেন, ‘আমি তখন বিছানায় শুয়ে ছিলাম। হঠাৎ মনে হলো পুরো ঘরটা দুলে উঠছে, যেন ভেঙে পড়বে। খুব ভয় লাগছিল। পরে বুঝলাম ভূমিকম্প হয়েছে।’
ভূতাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞদের মতে, সিকিম ও আশপাশের হিমালয় অঞ্চলটি ভূমিকম্পপ্রবণ একটি ফল্ট লাইনের ওপর অবস্থিত। বড় ভূমিকম্পের পর পরই এ ধরনের ছোট ছোট আফটারশক হওয়া স্বাভাবিক ঘটনা।
এর আগে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) মিয়ানমারে ৫ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্পে ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কম্পন অনুভূত হয়। একই দিন ভোরে সাতক্ষীরার কলারোয়া এলাকায় ৪ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্পও রেকর্ড করা হয়।