গণিত বিভাগের পূজা আয়োজক কমিটির সদস্যসচিব প্রাণেশ মজুমদার বলেন, 'আমাদের মণ্ডপে এবার কুঁড়েঘরের থিম নিয়ে এসেছি। প্রতিমা স্থাপন, প্রসাদ ও পুরোহিতসহ অন্যান্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। উৎসবমুখর পরিবেশে আমরা আরাধনা করছি।'
সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক রবীন্দ্রনাথ মণ্ডল বলেন, 'এবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পাশাপাশি জকসুর প্রতিনিধিরাও আছেন। তাঁদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত সবকিছুই সুশৃঙ্খলভাবে এগোচ্ছে। আশা করছি, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা সুষ্ঠুভাবে পূজা উদযাপন করতে পারবেন।'
নিরাপত্তার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক বলেন, 'বরাবরের মতো এবারও সর্বোচ্চ নিরাপত্তার সঙ্গে পূজা পালিত হচ্ছে। পুলিশ ও প্রক্টরিয়াল বডি ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সার্বক্ষণিক তদারকি করছে।'
প্রসঙ্গত, প্রতিবছর মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের শ্রীপঞ্চমী তিথিতে বিদ্যা ও জ্ঞানের দেবী সরস্বতীর এই পূজা অনুষ্ঠিত হয়। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মিলনমেলায় পরিণত হয় এই উৎসব। পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পূজা দেখতে রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকেও দর্শনার্থীরা ভিড় জমান।