ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে স্বাগতিক পিএসজি। ১১ মিনিটেই এগিয়ে যায় তারা। বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া শটে ডিফ্লেকশন পেয়ে গোল করেন তরুণ মিডফিল্ডার দেজিরে দুয়ে।
গোল হজমের পর চাপে পড়ে যায় লিভারপুল। একের পর এক আক্রমণে তাদের রক্ষণভাগ ব্যতিব্যস্ত করে তোলে পিএসজি। তবে গোলরক্ষক জর্জি মামারদাশভিলি কয়েকটি দারুণ সেভ করে ব্যবধান বাড়তে দেননি।
প্রথমার্ধে লিভারপুলের সেরা সুযোগটি আসে জেরেমি ফ্রিমপংয়ের শট থেকে, যা অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। অন্যদিকে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন উসমান দেম্বেলে।
দ্বিতীয়ার্ধেও দেখা যায় একই চিত্র, পিএসজির একচেটিয়া দাপট। অবশেষে ৬৫ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন খাভিচা কাভারেস্কেলিয়া। জোয়াও নেভেসের চমৎকার পাসে বক্সে ঢুকে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে গোলটি করেন তিনি।
এরপর পেনাল্টির সুযোগ পেলেও ভিএআর দেখে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন রেফারি। ফলে ২-০ ব্যবধানেই শেষ হয় ম্যাচ।
এই হারের ফলে বড় চাপে পড়ে গেছে লিভারপুল। টানা তিন ম্যাচে হার এবং চ্যাম্পিয়নস লিগে আক্রমণভাগের নিষ্ক্রিয়তা দলটির জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এখন দ্বিতীয় লেগে অ্যানফিল্ডে ঘুরে দাঁড়ানোই বড় চ্যালেঞ্জ লিভারপুলের সামনে। অন্যদিকে আত্মবিশ্বাসে উজ্জ্বল পিএসজি সেমিফাইনালের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।