বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, 'সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে হওয়ায় ভোট গণনার প্রক্রিয়া কিছুটা দীর্ঘ হতে পারে। তবে সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ করতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে।'
শফিকুল আলম বলেন, 'নির্বাচনের সময় তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করতে চারটি মোবাইল অপারেটরকে উন্নত ইন্টারনেট সেবা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ২৫ হাজার ৫০০টি ‘বডি অন ক্যামেরা’ ব্যবহার করা হবে। এসব ক্যামেরার ফুটেজ একটি বিশেষ সুরক্ষা অ্যাপে যুক্ত থাকবে, যা দ্রুত প্রতিক্রিয়া প্রদানে সহায়ক হবে।'
ভোটের দিন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশনা দিয়েছেন। পাশাপাশি, লুট হওয়া অস্ত্র দ্রুত উদ্ধারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনকালে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা রিটার্নিং কর্মকর্তার অধীনে সমন্বয় করে দায়িত্ব পালন করবেন। সেনাবাহিনীর ১ লাখ, নৌবাহিনীর ৫ হাজার, বিমান বাহিনীর সাড়ে ৩ হাজার সদস্য এবং ফায়ার সার্ভিসসহ অন্যান্য বাহিনী দায়িত্বে থাকবেন। নজরদারিতে থাকবে ৫০০ ড্রোন।
প্রেস সচিব বলেন, 'পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসন নিয়ে কিছু শঙ্কা থাকলেও দেশের ৩০০টি আসনে নির্বাচন হবে। এবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ১ হাজার ৮৪২ জন বৈধ প্রার্থী। নির্বাচন পরিচালনায় দায়িত্বে থাকবেন ৬৯ জন রিটার্নিং কর্মকর্তা, ৬৫৭ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১ হাজার ৪৭ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। জেলা প্রশাসকরা জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।'
শফিকুল আলম আরও জানান, নির্বাচনী সুরক্ষা’ নামের একটি অ্যাপের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মাঠপর্যায়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে এবং কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সক্ষম হবেন।