সভায় প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান বলেন, 'দেশে গণমাধ্যমের ওপর হামলার ঘটনার সময় যারা পাশে দাঁড়িয়েছে, ভবিষ্যতেও তাদের প্রতি সমর্থন থাকবে। আগের ফ্যাসিবাদী শাসনামলে সাংবাদিকরা কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়েছে। তবে এখন নতুন আশার আলো দেখা যাচ্ছে।'
দ্য ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম বলেন, 'দেশের ইতিহাসে কখনও কোনও মিডিয়া হাউসে আগুন দেওয়া হয়নি। প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে প্রথম এই ঘটনা ঘটেছে। তবে এই পরিস্থিতিতেও আমাদের নজর রাখা প্রয়োজন। সমালোচনা ও মত প্রকাশকে সুস্থ ধারায় আনার জন্য সবাইকে কাজ করতে হবে।'
সভায় সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, 'প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে আগুন লাগার ঘটনা দেশের জন্য লজ্জাজনক। এটি শুধু দুঃখ প্রকাশের বিষয় নয়, সাংবাদিকরা রাজনৈতিক নেতৃত্বের দিক নির্দেশক হিসাবেও গুরুত্বপূর্ণ।'
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন দেশের বিভিন্ন টেলিভিশন, সংবাদপত্র ও অনলাইন মিডিয়ার সিনিয়র সাংবাদিকরা। তারা প্রত্যেক তিন থেকে ছয় মাস অন্তর গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানের গুরুত্বারোপ করেন।