সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মূসা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আবেদনটি ৮২ নম্বর ক্রমিকে তালিকাভুক্ত রয়েছে। শুনানিতে এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতা স্থগিতের আবেদন জানানো হয়েছে।
রিট আবেদনে বলা হয়, এম এ কাইয়ুম ভানুয়াতু নামক একটি দেশের নাগরিক, যা তার নির্বাচনী হলফনামায় উল্লেখ করা হয়নি। পরবর্তীতে এ তথ্য প্রকাশ পায়। সংবিধান অনুযায়ী দ্বৈত নাগরিকরা সংসদ সদস্য নির্বাচনে অযোগ্য—এ যুক্তিতে তার প্রার্থিতা বাতিল বা স্থগিতের দাবি জানানো হয়েছে।
আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মূসা বলেন, 'দ্বৈত নাগরিকত্ব এবং হলফনামায় তথ্য গোপনের বিষয়টি সামনে রেখে রিটটি করা হয়েছে। শিগগিরই উপযুক্ত বেঞ্চে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।'
ঢাকা-১১ আসনটি গুলশান এলাকার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২১, ২২, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪১ ও ৪২ নম্বর ওয়ার্ড এবং সবুজবাগ এলাকার ২৩ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৭৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ২২ হাজার ৮৭৭ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ১৬ হাজার ১৯৮ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৩ জন।
উল্লেখ্য, প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে গত ৩ জানুয়ারি রিটার্নিং অফিসার এম এ কাইয়ুমের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন। এম এ কাইয়ুম বিএনপির ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।