এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পুনরায় পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। এ জন্য সর্বোচ্চ এক মাস সময় নির্ধারণের কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির সময় দিয়েই দ্রুত পুনরায় পরীক্ষা আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী।
তিনি বলেন, যেসব শিক্ষার্থী এবার উত্তীর্ণ হতে পারেননি, তাদের প্রস্তুতির জন্য এক মাসের বেশি সময় দেওয়া হবে না। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রস্তুতি সম্পন্ন করে তারা আবার পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।
এদিকে, প্রকাশিত ফলাফলে এবার সারা দেশে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। ফলাফলে জিপিএ-৫ অর্জনের ক্ষেত্রে শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে এগিয়ে রয়েছে ঢাকা বোর্ড। এ বোর্ড থেকে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ৭১৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।
অন্যদিকে, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৮৮৬ জন। বোর্ডভিত্তিক পরিসংখ্যানে এটিই সর্বনিম্ন সংখ্যা।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেন মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন ছাত্র এবং ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন ছাত্রী।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এবার পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ছাত্রদের চেয়ে ছাত্রীদের সংখ্যা ২৬ হাজার ৬৪৫ জন বেশি।
ফল প্রকাশের পর এখন অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরবর্তী পরীক্ষার প্রস্তুতি ও সময়সূচি নিয়ে অপেক্ষা তৈরি হয়েছে। তবে পুনরায় পরীক্ষা আয়োজনের নির্দিষ্ট তারিখ ও বিস্তারিত নিয়মাবলি এখনো জানানো হয়নি।
সদ্য সংবাদ/এসএস