শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত খাওয়াদাওয়াকে কেন্দ্র করে ভারতের জলপাইগুড়ি জেলা স্কুলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিক্ষকদের বিরোধের জেরে প্রধানশিক্ষক মারধরের শিকার হয়েছেন। মারের আঘাতে কপাল ফেটে অচেতন হয়ে মেঝেতে পড়ে যান প্রধানশিক্ষক ধর্মচাদ বারুই। পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
উত্তরবঙ্গের অন্যতম প্রাচীন এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর)। গত শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) শিক্ষক দিবস হলেও ওই দিন নয়, মঙ্গলবার ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে খাবারের আয়োজন করেছিলেন স্কুলের শিক্ষকরা।
দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ওই আয়োজনের হিসাবের মধ্যে তাদের ধরা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে কয়েকজন শিক্ষার্থী প্রথমে শিক্ষকদের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। একপর্যায়ে সেই ক্ষোভ থেকেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
শিক্ষকদের দাবি, দশম শ্রেণির একদল শিক্ষার্থী প্রধানশিক্ষক ধর্মচাদ বারুইকে মারধর শুরু করে। এতে তাঁর কপাল ফেটে যায় এবং গুরুতর আঘাতে তিনি অচেতন হয়ে মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন।
এ সময় আহত প্রধানশিক্ষককে উদ্ধারে এগিয়ে আসে পুলিশ। তবে অভিযোগ, তাঁকে হাসপাতালে নিতে যাওয়ার সময় শিক্ষার্থীরা পুলিশের গাড়িও আটকে দেয়।
পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে প্রধানশিক্ষককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। তাঁর আঘাত কতটা গুরুতর, তা এখনো জানা যায়নি।
ঘটনাটি ঘিরে জলপাইগুড়ি জেলা স্কুল ও আশপাশের এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। এমন একটি পুরোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। কীভাবে পরিস্থিতি এতটা উত্তপ্ত হলো, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রধানশিক্ষককে মারধরের ঘটনায় কোন কোন শিক্ষার্থী জড়িত ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সূত্র: আনন্দ বাজার
সদ্য সংবাদ/ এআর