রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলামের নির্দেশে উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ শাখার কর্মকর্তারা সরেজমিনে গিয়ে ভবনগুলোর প্রকৃত অবস্থা মূল্যায়ন করেন।
পরিদর্শনের সময় বাড্ডার আলাতুন্নেসা স্কুল ও কলেজের একটি ভবনকে বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে শনাক্ত করা হয়। রাজউক আগেই ভবনটিকে অনিরাপদ ঘোষণা করে সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড লাগিয়েছিল। ভূমিকম্পে ভবনের ক্ষতি আরও বাড়ায় সেটি তাৎক্ষণিকভাবে সিলগালা করে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এদিকে, গুলশানের একটি ১০ তলা ভবনের কলামে ফাটল দেখা দেওয়ায় নিরাপত্তার স্বার্থে কলামের উপর অবস্থিত সুইমিংপুলের পানি অবিলম্বে অপসারণ করা হয়।
এছাড়া টিকাটুলি, ওয়ারী, মুগদা ওয়াসা রোড, কাফরুল, আগারগাঁও ও রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থানের ফাটল ধরা ভবনও পর্যবেক্ষণ করা হয়। এসব ভবনের অবস্থা বিস্তারিত জানতে ১৫ দিনের মধ্যে ডিটেইল্ড ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যাসেসমেন্ট (DEA) প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ভূমিকম্পের ক্ষতি যাচাই ও ভবনগুলোর পরিস্থিতি মূল্যায়নে আগামী সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকাল ১০টায় রাজউক চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আরমানিটোলার রেলিং ভেঙে পড়া ভবনসহ বাড্ডার আলাতুন্নেসা স্কুল-কলেজ ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনা সরেজমিনে পরিদর্শন করবেন।