রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) মেজর আমেরিকান ইহুদি সংস্থাগুলোর বার্ষিক সম্মেলনে বক্তৃতায় এ কথা বলেন নেতানিয়াহু।
তিনি বলেন, 'শুধু সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করাই যথেষ্ট নয়, পারমাণবিক সক্ষমতাই পুরোপুরি উচ্ছেদ করতে হবে। যেকোনো চুক্তিতে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যু সমাধান করা এবং পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর কঠোর আন্তর্জাতিক পরিদর্শন ব্যবস্থা চালু করা আবশ্যক।'
গত সপ্তাহে হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সপ্তম বৈঠক শেষে নেতানিয়াহু এ বিষয়ে প্রথমবার জনসমক্ষে মুখ খুলেছেন। যদিও ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে আশাবাদী, নেতানিয়াহু কোনো ‘ভালো চুক্তি’ হওয়া সম্ভব কি না তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন।
সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়েছে, ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বজায় রাখার বিষয়ে একমত হয়েছেন। বিশেষ করে ইরানের তেল চীনে রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করার পক্ষে তারা।
তবে ইরান সবসময়ই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তেহরান জানিয়েছে, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিনিময়ে তারা পারমাণবিক কর্মসূচিতে সীমিত কিছু শর্ত মেনে চলতে প্রস্তুত, কিন্তু ক্ষেপণাস্ত্র বিষয়ক আলোচনায় তারা রাজি নয়।
মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা দিন দিন বাড়ছে। ট্রাম্প সম্প্রতি ওই অঞ্চলে দ্বিতীয় একটি বিমানবাহী রণতরী পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন।
অন্যদিকে ইরান জানিয়েছে, তাদের ওপর হামলা হলে তারা মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা আক্রমণ করবে।
পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারি এবং কূটনৈতিক উত্তেজনা পুরো অঞ্চলকে সম্ভাব্য বড়সড় সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা