ইরানের শীর্ষ নেতা আলী লারিজানিকে হত্যার পেছনে তেহরানের সাধারণ নাগরিকদের সরবরাহ করা গোয়েন্দা তথ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে দাবি করেছে ইসরায়েল। দেশটির এক সরকারি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। ওই ইসরায়েলি কর্মকর্তার দাবি, গত ২৪ ঘণ্টায় স্থানীয়দের কাছ থেকে পাওয়া নির্ভুল ও মূল্যবান তথ্যের ভিত্তিতেই লারিজানির ওপর নিখুঁত হামলা চালানো সম্ভব হয়েছে।
ইরানের শীর্ষ নেতা আলী লারিজানিকে হত্যার পেছনে তেহরানের সাধারণ নাগরিকদের সরবরাহ করা গোয়েন্দা তথ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে দাবি করেছে ইসরায়েল। দেশটির এক সরকারি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।
ওই ইসরায়েলি কর্মকর্তার দাবি, গত ২৪ ঘণ্টায় স্থানীয়দের কাছ থেকে পাওয়া নির্ভুল ও মূল্যবান তথ্যের ভিত্তিতেই লারিজানির ওপর নিখুঁত হামলা চালানো সম্ভব হয়েছে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে লারিজানি জনসম্মুখে বেশ সক্রিয় ছিলেন, যা তাকে সহজে শনাক্তযোগ্য করে তোলে।
জানা গেছে, তিনি কুদস দিবসের র্যালিতে অংশগ্রহণসহ বিভিন্ন দেশি-বিদেশি সংবাদমাধ্যমে নিয়মিত সাক্ষাৎকার দিচ্ছিলেন। বিশ্লেষকদের মতে, তার এই প্রকাশ্য উপস্থিতি এবং অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসই তাকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করতে সহায়তা করেছে।
এদিকে, ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দাবি, তারা বর্তমানে তেহরানের সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ তথ্য পাচ্ছে। এসব তথ্যের মাধ্যমে বাসিজ বাহিনী ও আইআরজিসির বিভিন্ন চেকপোস্টের অবস্থান শনাক্ত করা সহজ হচ্ছে।
ফলে ইরানের অভ্যন্তরে ইসরায়েলি বাহিনীর সামরিক অভিযান পরিচালনা আগের তুলনায় অনেক বেশি সহজ হয়ে উঠেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।