কম্বোডিয়া ও মিয়ানমারের মতো অনলাইন স্ক্যাম (প্রতারণা) সেন্টার পরিচালনার প্রস্তুতি নেওয়ার অভিযোগে ১৫ জন বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করেছে কাঠমান্ডু পুলিশ। বাংলাদেশি নাগরিক ছাড়াও চার ভারতীয়কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নেপাল পুলিশের কাঠমান্ডু ভ্যালি ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন অফিস জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা একজন চীনা নাগরিকের পরিচালিত একটি ‘স্ক্যাম সেন্টারে’ কর্মরত ছিলেন। অভিযানের সময় কম্পিউটার, মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।
ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন অফিসের মুখপাত্র ও পুলিশ সুপার রামেশ্বর কার্কি বলেছেন, ওই চীনা নাগরিক বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। আমরা তাকে খুঁজছি। পুলিশের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্রেপ্তার হওয়া বাংলাদেশি নাগরিকদের বেশিরভাগই আগে কম্বোডিয়ায় কাজ করেছেন। তারা জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে জানিয়েছেন, কম্বোডিয়ায় পরিচয় হওয়া চীনা অপারেটররা তাদের নেপালে নিয়ে এসেছে।
পুলিশ সুপার কার্কির মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নারীদের আপত্তিকর ছবি পাঠিয়ে এ চক্রটি ভুক্তভোগীদের ব্ল্যাকমেইল করে অর্থ আদায় করত। প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, চক্রটির টার্গেট ছিলেন মূলত বাংলাদেশি ও ভারতীয় নাগরিকেরা; স্থানীয় নেপালিরা নয়।
শুক্রবার গ্রেপ্তার ১৯ জনকেই পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইমিগ্রেশন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের ডিপোর্ট, অর্থাৎ বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হতে পারে।
জানা গেছে, স্ক্যাম সেন্টার পরিচালনার জন্য পলাতক চীনা নাগরিক থামেল এলাকার একটি পুরো হোটেল ভাড়া নিয়েছিলেন। হোটেলের মালিক প্রতি মাসে সাত লাখ নেপালি রুপি ভাড়ার বিনিময়ে হোটেলটি লিজ দিয়েছিলেন।