ডেঙ্গুর বিস্তার ঠেকাতে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে দেশের প্রতিটি নাগরিককে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে আগামী তিন মাস ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানোর কথা জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, দেশের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গঠনে এগিয়ে এলে কোনো প্রতিবন্ধকতাই সেই অগ্রযাত্রাকে থামাতে পারবে না।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী তিন মাস রোগটির বিস্তার নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। একেবারে নির্মূল করা সম্ভব না হলেও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা থাকবে।
নাগরিকদের দৈনন্দিন জীবনে পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, প্রত্যেকে যদি সপ্তাহে অন্তত এক ঘণ্টা নিজের আশপাশ পরিষ্কার রাখার কাজে ব্যয় করেন, তাহলে সামগ্রিক পরিস্থিতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।
খোলা জায়গায় কিংবা যেখানে-সেখানে ময়লা না ফেলার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়; এর সঙ্গে প্রত্যেক নাগরিকেরও দায়িত্ব রয়েছে।
দেশ পরিবর্তনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের মানুষ পরিবর্তন সম্ভব এটি প্রমাণ করেছে। এখন রাষ্ট্রব্যবস্থায়ও পরিবর্তন আনার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।
অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী কর্মসূচিকে ঘিরে স্থাপিত বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি উপস্থিত সাধারণ মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও করমর্দন করেন।
সরকারের ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলবে আগামী ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এ সময়ে দেশব্যাপী ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সদ্য সংবাদ/এসএস