পর্তুগালে অভিবাসীদের বসবাসের অনুমতি বা রেসিডেন্স পাওয়ার ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম চালু হয়েছে। বিশেষ করে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থী এবং নির্দিষ্ট কারিগরি ও প্রশিক্ষণ কোর্সে থাকা বিদেশিদের জন্য রেসিডেন্স আবেদনে এখন রেসিডেন্স ভিসার শর্ত যুক্ত হয়েছে। ফলে আগের তুলনায় প্রক্রিয়াটি আরও নির্দিষ্ট নিয়মের আওতায় পড়েছে।
১০ সেপ্টেম্বর নতুন আইন সরকারি গেজেটে প্রকাশের পর ১১ সেপ্টেম্বর থেকে তা কার্যকর হয়। আইনটির মাধ্যমে পর্তুগালের অভিবাসন আইনে বেশ কিছু সংশোধন আনা হয়েছে। এর মধ্যে আর্টিকেল ৯২- এর অধীনে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থী ও নির্দিষ্ট প্রশিক্ষণ কোর্সের শিক্ষার্থীদের রেসিডেন্সের বিধানেও পরিবর্তন এসেছে।
সংশোধিত বিধান অনুযায়ী, মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থী এবং CITE 2011- এর লেভেল ৪ কোর্সে ভর্তি বিদেশি শিক্ষার্থীদের আর্টিকেল ৯২-এর আওতায় রেসিডেন্স পেতে রেসিডেন্স ভিসা থাকতে হবে। পাশাপাশি পর্তুগালের স্বীকৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি, সাধারণ আইনি শর্ত পূরণ এবং জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা (SNS) অথবা বৈধ স্বাস্থ্যবীমার আওতায় থাকার প্রমাণ দিতে হবে।
এর আগে আর্টিকেল ৯২-এর ৪ নম্বর অনুচ্ছেদের আওতায় কিছু ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোর্সে ভর্তি বিদেশি নাগরিকদের জন্য ভিন্ন ব্যবস্থা ছিল। নতুন সংশোধনের ফলে সেই বিধান বাতিল হয়েছে এবং রেসিডেন্স ভিসাসহ নির্ধারিত শর্ত পূরণের বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে। তবে আর্টিকেল ৯২ পুরোপুরি বাতিল হয়নি; নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে এটি এখনো কার্যকর রয়েছে।
নতুন আইনে রেসিডেন্সের আবেদন সাধারণত ৯০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির কথা বলা হয়েছে। তবে কোনো বিশেষ ও যথাযথভাবে ব্যাখ্যাযোগ্য পরিস্থিতিতে, যেমন আবেদনের জটিলতা থাকলে, আরও ৩০ দিন সময় বাড়ানো যেতে পারে। এ ধরনের সময় বাড়ানোর বিষয়টি আবেদনকারীকে জানাতে হবে।
নতুন নিয়মের কারণে পর্তুগালে পড়াশোনা বা প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে যেতে আগ্রহী বিদেশিদের ভিসা ও রেসিডেন্সের যোগ্যতা আগে থেকেই যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে কোন ধরনের কোর্সে ভর্তি হচ্ছেন এবং সেই কোর্সের জন্য কী ধরনের ভিসা প্রয়োজন- এসব বিষয় নিশ্চিত করে পর্তুগালে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
সদ্য সংবাদ/এসকে