গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ রায়ের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ঘিরে চলমান কর ও শ্রম আইনের মামলাগুলোও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। আদালত ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে করসংক্রান্ত আরও ৩১টি মামলা হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগে বিচারাধীন রয়েছে। পাশাপাশি শ্রম আদালত ও শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রয়েছে আরও ১৯টি মামলা।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, করসংক্রান্ত এসব মামলায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবির পরিমাণ কয়েকশ কোটি টাকা। গ্রামীণ কল্যাণের করসংক্রান্ত বিরোধের একটি অংশের সূত্রপাত ২০১২ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে। ওই সময়ে এসব মামলা দায়ের করা হয়।
গত ১০ সেপ্টেম্বর গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। এ রায়কে কেন্দ্র করে ড. ইউনূসের আইনজীবী ও রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্যে ভিন্নতা দেখা দিয়েছে। ড. ইউনূসের আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুনের দাবি, এসব মামলার মাধ্যমে তার মক্কেলকে জনসমক্ষে বিচারের মুখোমুখি করা হচ্ছে। তার অভিযোগ, বর্তমান সরকারও আগের সরকারের মতো একই ধারায় এগোচ্ছে।
তবে রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্য, এসব মামলায় আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। উচ্চ আদালত যে রায় দেবেন, রাষ্ট্রপক্ষকে সেটিই মেনে চলতে হবে।
এদিকে গ্রামীণ কল্যাণের করসংক্রান্ত মামলাগুলোর কয়েকটির দীর্ঘ সময় পর নিষ্পত্তি হওয়ায় বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে সর্বশেষ রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়।
ফলে গ্রামীণ কল্যাণের করসংক্রান্ত বিরোধের পাশাপাশি ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে বিচারাধীন অন্যান্য কর ও শ্রম মামলাগুলোর ভবিষ্যৎ রায়ও এখন গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
সদ্য সংবাদ/এসকে